নির্বাচন ঘিরে বিতর্ক ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক ঝুঁকি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে

 আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে গত দু' বারের নির্বাচন নিয়ে বেশ বিতর্ক আছে।






বাংলাদেশ 

আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে গত দু' বারের নির্বাচন নিয়ে বেশ বিতর্ক আছে। তাই এবার সুষ্ঠু নির্বাচন করতে যুক্তরাষ্ট্র বা বিভিন্ন কূটনৈতিক পর্যায় থেকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়ার ব্যাপারটি রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বাংলাদেশের নির্বাচনের আগে ঠিক কী ধরনের কূটনৈতিক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে এবং কার কী অবস্থান? একটু জেনে নেই অর্চি অতন্দ্রিলার কাছ থেকে

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

ঢাকা, ৩০ নভেম্বর ২০১৫: আমন্ত্র জারীয় সংসদ নির্বাচনও আশগ্রহণমূলক হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না এবং এখন নির্বাচনের ওপর জনগণের আস্থা নিশ্চিত করা অসম্ভব। গণতন্ত্র, সুশাসন ও শুদ্ধাচার চর্চার রাজনৈতিক অঙ্গীকার বিষয়ে সুপারিশমালা উপস্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও চর্চার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ নিশ্চিতের লক্ষ্যে কার্যকর সংসদ প্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক দলের কার্যক্রমে গণতন্ত্র, সুশাসন ও শুদ্ধাচার নিশ্চিতে ৭৬টি সুপারিশ করেছে টিআইবি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, উপদেষ্টা-নির্বাহী ব্যবস্থাপনা অধ্যাপক ড. সুমাইয়া খায়ের, টিআইবির আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের পরিচালক শেখ মনজুর-ই-আলম এবং গবেষণা ও পলিসি বিভাগের পরিচালক মুহাম্মদ বদিউজ্জামান। সংবাদ সম্মেলনে সুপারিশটি উপস্থাপনা করেন টিআইবির রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট কাওসার আহমেদ।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, 'আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে ও পরবর্তী সময় পর্যালোচনার ভিত্তিতে এ ধারণা আমাদের হয়েছে- অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন বলতে আমরা যা বুঝি, তা এবারও পাওয়া যাচ্ছে না। এটি অভ্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। ভোটের অধিকারভিত্তিক নির্বাচন প্রতিষ্ঠা করা এবং এই নির্বাচনের ওপর জনআস্থা নিশ্চিত করাও অসম্ভব বলে আমরা মনে

করি।' টিআইবির সুপারিশমালায়ও বিষয়টির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিয়েতে সহেদীয় ও সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা করতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণকালে দলীয় প্রধানের1


Post a Comment

0 Comments